প্রফেসর তাহমিনা আশরাফী
উপাধ্যক্ষ, টংগী সরকারি কলেজ, গাজীপুর

বাণী

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হলেও সুশিক্ষাই একটি আদর্শ জাতির মানদণ্ড । বিশ্বায়নের এই যুগে আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে সত্যিকার অর্থে মানুষ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রয়োজন সময়োপযোগী শিক্ষা এবং যুগোপযোগী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে মহান ব্রত নিয়ে, রাজধানী ঢাকার অদূরে ১৯৭২ সালে কোন এক শুভক্ষণে যাত্রা হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী এই টংগী সরকারি কলেজের। বর্তমানে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে গাজীপুর জেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে কলেজটি পরিচিতি লাভ করেছে। অত্র প্রতিষ্ঠানে রয়েছেন বিসিএস (সাধারণ) শিক্ষা ক্যাডারভুক্ত নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকমণ্ডলী। কলেজটিতে আধুনিক শিক্ষাপোকরণের মধ্যে রয়েছে, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে স্মার্টবোর্ড, মাল্টিমিডিয়া, একাধিক আইসিটি ল্যাব এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণিকক্ষ। দক্ষ প্রশাসনের সুনিপুণ নেতৃত্ব, একাডেমিক কর্মপরিকল্পনা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং শৃঙ্খলাবোধ প্রতিষ্ঠানটিতে অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকতে সহায়ক হয়েছে। উদ্যোগী কলেজ প্রশাসন ও কর্তব্য পরায়ণ শিক্ষকবৃন্দ আগামী প্রজন্মকে রুচিশীল, কর্মঠ এবং মেধাবী মানব সম্পদ তৈরিতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রতি উৎসাহিতকরণে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশীজন হতে পেরে আমি গর্বিত। আশা করছি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং অংশীজনসহ সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় টংগী সরকারি কলেজ একদিন বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে উঠবে। অধ্যয়ন, ধারাবাহিক অনুশীলন এবং নিয়মিত মূল্যায়নে শিক্ষার্থীদের মেধা হোক শাণিত ও দীপ্ত।

পরিশেষে, আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, সেই সকল মহৎপ্রাণ সমাজ সচেতন ব্যক্তিদের, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। আমি অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। আর ভালোবাসা রইল আমার প্রাণপ্রিয় শিক্ষার্থীদের প্রতি।